এলজিইডির সড়ক উন্নয়নে বদলে গেছে বরিশাল সদর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা
সড়কটি উন্নয়নের ফলে দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ দূর হয়েছে। এখন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ নিরাপদ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারছেন।
নাসির আহমেদ রনি, বরিশাল
ও এলজিডি'র আওতায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিকতায় "বরিশাল বিভাগের উপজেলা, ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ শক্তিশালীকরণ” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠি হতে রানীরহাট ভায়া নাপিতেরহাট-চর আইচা পোলেরহাট সড়কের চেইনেজ ৩৯৪১-৮০৩৬ মিটার উন্নয়ন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এলাকাবাসী উন্নত সড়কের পূর্ণ সুফল ভোগ
করছেন।
সড়কটি উন্নয়নের ফলে দীর্ঘদিনের চলাচলের দুর্ভোগ দূর হয়েছে। এখন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ নিরাপদ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে পারছেন। কৃষিপণ্য, মাছ ও অন্যান্য স্থানীয় উৎপাদিত পণ্য দ্রুত বাজারে পৌছানো সম্ভব হওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা, বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত এবং বিভিন্ন সামাজিক
Ipsum কর্মকাণ্ড আরও সহজ হয়েছে। এলজিইডির প্রকৌশল দক্ষতা, গুণগত নির্মাণ এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে সড়কটি এখন একটি টেকসই ও আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামোতে পরিণত হয়েছে। এই উন্নয়ন শুধু একটি সড়কের নয়, বরং সমগ্র এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
এলজিইডি বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোহাম্মদ আল ইমরান বলেন, "গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডি আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে এ সড়কে চলাচল অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। বর্তমানে উন্নত সড়কের কারণে সময়, শ্রম ও পরিবহন ব্যয় কমেছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যেও নতুন গতি এসেছে। এলাকাবাসী এ উন্নয়ন কাজের জন্য সরকার ও এলজিইডির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে এলজিইডির এ ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কমেন্ট বক্স