রামু ও উখিয়ায় র্যাব-১৫ এর পৃথক অভিযানে দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
এস.এম. হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার ব্যুরোচীফ : কক্সবাজারের রামু ও উখিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫। র্যাব জানায়, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে চলমান গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথম অভিযানে গত ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে রামু উপজেলার রশিদ নগর ইউনিয়নের নাদিরুজ্জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে আমানের মুদি দোকান এলাকায় অভিযান চালিয়ে বন মামলার এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মেহের আলী (৬০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ভরাছড়া গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৯১ সালে দায়ের হওয়া একটি বন মামলায় আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার বিষয়টি তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন বলে র্যাব জানিয়েছে।
অপরদিকে, গত ২৫ জুলাই রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫ (ব্লক-ই জি/২) এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরুল আমিন (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৫ এর সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল। আদালত তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব-১৫ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যথাক্রমে রামু ও উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অপরাধ দমন, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কমেন্ট বক্স