রাবিতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠান
রাবিতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠান
মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, রাজশাহী: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ফ্রান্সের মান্যবর রাষ্ট্রদূত H.E. Mr. Jean-Marc Sere-Charlet-এর অংশগ্রহণে “Meet the Ambassador: Talking Diplomacy for Cooperation” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ৯টা ৪০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. আব্দুল আলীম, সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক ও ‘তৃতীয় মাত্রা’র সঞ্চালক জিল্লুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক সাজ্জাদুর রহিম এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ শরিফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক আস্থাভিত্তিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কূটনীতি শুধু রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষার মাধ্যম নয়, বরং শান্তি, স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের অন্যতম কার্যকর হাতিয়ার।
তিনি শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-ফ্রান্স সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনার প্রশংসা করে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, সংলাপ ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব। তিনি আন্তর্জাতিক শান্তি, মানবাধিকার, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি ফ্রান্সের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ক, উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণা এবং বৈশ্বিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন। রাষ্ট্রদূত সেগুলোর উত্তর দেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কমেন্ট বক্স