৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​সীমান্তের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, চিকিৎসা পেলেন ৬০০ জন

আপলোড সময় : ০৩-০৮-২০২৬
​সীমান্তের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, চিকিৎসা পেলেন ৬০০ জন সংগৃহীত ছবি

এস.এম লুৎফুর কবির, কক্সবাজার ব্যুরো : পাহাড়ঘেরা সীমান্তের ছোট্ট জনপদ। প্রতিদিনের জীবনে নানা সংকটের সঙ্গে লড়াই করেই বেঁচে থাকেন এখানকার মানুষ। অসুস্থতা এলেও অনেকের পক্ষে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া কিংবা ওষুধ কেনা সহজ নয়। অভাবের সংসারে অনেক সময় চিকিৎসার চেয়ে নিত্যদিনের খাবার জোগাড় করাই হয়ে ওঠে বড় চ্যালেঞ্জ।

সেই মানুষগুলোর পাশে এবার মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। চিকিৎসকের পরামর্শ পেয়েছেন কেউ, কেউ পেয়েছেন প্রয়োজনীয় ওষুধ। আবার কারও হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে আর্থিক সহায়তা ও উপহারসামগ্রী। এতে সীমান্তের অসহায় মানুষের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।

কক্সবাজারের ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ প্রায় ৬০০ মানুষকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। একই সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও কিয়াংঘরে আর্থিক সহায়তা এবং বিভিন্ন উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, তুমব্রু বিজিবি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ ৩ নম্বর ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের জন্য এ চিকিৎসাসেবার আয়োজন করা হয়। দুইজন অভিজ্ঞ বিজিবি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৬০০ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে প্রয়োজনীয় ওষুধও বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও কিয়াংঘরে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যেও আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্ত পাহারা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি বিজিবি সব সময় সীমান্তবর্তী অসহায়, দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের কল্যাণে পাশে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিজিবির মহাপরিচালকের ‘সীমান্তে নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক’ হওয়ার ভিশনের অংশ হিসেবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ