মায়ের শেষ বিদায়
অশ্রুসিক্ত সাংবাদিক মোশারফ ও শিক্ষক সুমন —ঘোপে শোকের ছায়া
অশ্রুসিক্ত সাংবাদিক মোশারফ ও শিক্ষক সুমন —ঘোপে শোকের ছায়া
মোশারফ করিম, যশোর : যে মায়ের আঁচলে ছিল সন্তানের নিরাপদ আশ্রয়, সেই মা-ই আজ মাটির ঘরে চিরনিদ্রায়। হঠাৎ অসুস্থতা কেড়ে নিল সাংবাদিক মোশারফ হোসেনের মা মোছা. ফাতেমা বেগম (৬৩)-কে। তার মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ফাতেমা বেগমকে যশোরের আদ্-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
মুহূর্তেই নিভে যায় একটি পরিবারের সবচেয়ে আপন আলো। মায়ের মৃত্যুর খবরে শোকে ভেঙে পড়েন স্বজনরা। মৃত্যুকালে স্বামী মো. মিজানুর রহমান এবং দুই ছেলে মোশারফ হোসেন ও সুমন হোসেনকে রেখে গেছেন তিনি।
ফাতেমা বেগম ছিলেন যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ঘোপ গ্রামের বাসিন্দা। পরিবার-স্বজনের কাছে তিনি ছিলেন স্নেহশীল ও মমতাময়ী মা। তার চলে যাওয়ায় পরিবারে তৈরি হয়েছে অপূরণীয় শূন্যতা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর ঘোপ উত্তরপাড়া জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় মরহুমার জানাজা। এতে স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
শেষ বিদায়ের সেই মুহূর্তে চোখে ছিল অশ্রু, হৃদয়ে ছিল হাহাকার। প্রিয় মাকে হারিয়ে শোকাহত সাংবাদিক মোশারফ ও তার পরিবার। জানাজায় অংশ নেওয়া সবাই মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ফাতেমা বেগমের মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
কমেন্ট বক্স