ছবিঃ সংগৃহীত
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের নজরদারির আড়ালে বিভিন্ন স্থানে টিলা কেটে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে উপজেলার মাইজগাঁও ইউনিয়নে এ প্রবণতা বেশি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, প্রতিদিন ভোরে ছোট ছোট যানবাহনে করে টিলার মাটি বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টিলা কাটা নিষিদ্ধ হলেও একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি আইন অমান্য করে টিলা কেটে মাটি বিক্রি করছেন। বাড়িঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে মাটি ভরাটের ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া হলেও এর সুযোগ নিয়ে অনেকে টিলার মাটি কেটে ব্যবসা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে মাইজগাঁও ইউনিয়নের শরিফগঞ্জ, মোল্লাটিলা ও নছরটিলার কয়েকটি স্থানে টিলা কাটার চিত্র দেখা গেছে। উঁচু টিলা কেটে ছোট ছোট ট্রলি ও ঠেলাগাড়িতে করে মাটি বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ট্রলি মাটি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ট্রলিচালক বলেন, তাঁরা এলাকার ছোটখাটো কাজের পাশাপাশি মাটি ভরাটের কাজ করেন। পরিবেশের ক্ষতি সম্পর্কে তাঁরা তেমন কিছু বোঝেন না বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মাইজগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে টিলা কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতিদিন ভোরে কয়েকটি ছোট যানবাহনে করে এসব মাটি বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এসব কর্মকাণ্ড প্রশাসনের নজরদারির বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর।
এ বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার কর্মকর্তা লুৎফুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উপজেলায় কোথাও টিলা কাটা হলে পুলিশ তৎপর রয়েছে। কেউ টিলা কাটলে তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।