পারভেজ লিপু, গোপালগঞ্জ : অভিযোজন বৃদ্ধি ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কল্পে টেকসই অবকাঠামো প্রকল্পের আওতায় ৬৭টি স্কুল কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ভবন এবং তৎসংলগ্ন সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। প্রকল্প কাজ বাস্তবায়নকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের প্রকল্পের ব্যবস্থাপক (পিএম) নুরল হুদা জানান কাজ শেষ করার নির্ধারিত ৯১০ দিন এখনও শেষ হয়নি। অল্প কিছু দিন বাকী আছে। তবে এই ৯১০ দিনে যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবেনা তাও তিনি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সামগ্রিক কাজের ৬০% হয়তো সম্পন্ন হয়েছে।
সরেজমিন চন্দ্রদিঘলিয়া,গোবরা, ডালনিয়া, সুকতাইলসহ বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় নির্মাণাধীন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে শ্লথগতিতে কাজ চলছে। কর্মরত শ্রমিকরা নিয়মমতো কাজের পোষাক,হেলমেট, গ্লাভস্ বা বুট পরেনা। শ্রমিকদের থাকা ও খাওয়া মান সম্মত নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। কাজ পরিচালনায় অনেক অসংগতি রয়েছে। ব্যবহৃত মালামাল ক্ষেত্রভেদে নিম্নমানের বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার গান্ধীয়াসুর এলাকায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সরকারী জায়গায় অবৈধভাবে তাদের অফিস করেছে।
৫ কোটি ৭৪ লাখ ৬ হাজার ২ শত ৬৯ টাকা ব্যয়ে ৯০ নং ডালনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বণ্যা আশ্রয় কেন্দ্রের নির্মাণ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে দায়সারা গোছের কাজ চলছে। ওই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন,আমরা দ্রুত কাজ শেষ হোক তা চাইলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় শ্রমিক নিযুক্ত করেনা। শ্রমিক সংখা না বাড়ালে কাজ ধীর গতিতে চলা স্বাভাবিক।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এনডিই’র পিএম নুরুল হুদা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শ্রমিক পরিচালনায় অনিয়ম থাকতে পারে। তবে মালামাল ব্যবহারে কোন অনিয়ম হয় নাই। প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে তত্ত্বাবধানকারী বিভাগ এলজিইডি'র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুবাইয়াত জামান বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।