ছবিঃ সংগৃহীত
ভক্তদের টাকা খরচ করে দেওয়া ভোটে লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, আর তারপর নীরবতা ভেঙে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন পর্তুগিজ তারকা। ক্যারিয়ারের শেষ বেলায় পৌঁছানো দুই মহাতারকার রেকর্ড আর অর্জন নিয়ে আলোচনা চলেই, তবে এবারের আলোচনার কারণ একটু ভিন্ন।
‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ (বোট) পুরস্কারে মেসিকে টপকে গেছেন রোনালদো। এ পুরস্কারের সঙ্গে কোনো শিরোপা নেই; ভোট দিতে হয়েছে ভক্তদের টাকা খরচ করে। জেতার পর সামাজিক মাধ্যমে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের নাম মুখেও আনেননি রোনালদো। ব্যালন ডি’অরে চুমু দেওয়ার একটি ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘ফুটবল ভক্তদেরই খেলা। বিশ্বের ভক্ত-সমর্থকদের ধন্যবাদ। সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি'অর পুরস্কারটিও আপনাদের।’
ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে এবার বোটের আয়োজন করে উয়েফা ও ‘ফ্রান্স ফুটবল’ সাময়িকী। ব্যালন ডি’অর জেতা মৌসুমগুলোর মধ্যে সেরাটি বাছাই হয় ভোটে। ১ অক্টোবর থেকে খোলা ছিল ভোট, প্রতিটির জন্য ভক্তদের দিতে হয়েছে ১ ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩৮ টাকা। মঙ্গলবার রাতে ভোট শেষ হলে দেখা যায়, বোট উঠেছে রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অরের ঝুলিতে।
আয়োজনটি ছিল অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জেতা খেলোয়াড়দের নিয়ে। দ্বিতীয় হয়েছে মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর। তালিকার প্রথম ১২টি স্থানই মেসি আর রোনালদোর দখলে; ১৩তম হয়েছে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিওর ২০০২ সালের ব্যালন ডি’অর।
এর আগে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে উৎসবের আবহে ক্যারিয়ারে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জেতেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে পুরস্কারটি পেলেন তিনি; আগে পেয়েছিলেন স্ট্যানলি ম্যাথুস, ববি চার্লটন, কেভিন কিগান ও ওয়েন। ইতিহাসে সর্বোচ্চ আটবার ব্যালন ডি’অর মেসির। পাঁচবার জিতে পর্তুগালের রোনালদো দ্বিতীয়, আর ব্রাজিলিয়ান রোনালদো জিতেছেন দুবার।