১৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে প্রতারণা করে ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ

ডিভোর্স ও সন্তানের পরিচয় ও টাকা ফেরতের দাবি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

আপলোড সময় : ০৩-০৬-২০২৬
ডিভোর্স ও সন্তানের পরিচয় ও টাকা ফেরতের দাবি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

এরশাদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে প্রতারণার মাধ্যমে নিজের স্বামীকে ডির্ভোস দেয়ার অভিযোগ উঠেছে হালিমা বেগমের বিরুদ্ধে। একই সাথে নিজের সন্তানদের পিতার পরিচয় অস্বীকার করছে হালিমা বেগম। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগী মো. ফারুক বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মো. ফারুক বলেন, ১৯৯৯ সালে মির্জাপুর উপজেলার তেলিনা গ্রামের ওয়াহেদ আলী দেওয়ানের মেয়ে হালিমা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরবর্তীতে আমি ২০০৬ সালে নিজের আর্থিক অবস্থা ঠিক করতে সৌদিতে যাই। পরে আমি কাতার ও দুবাই যাই।  কয়েক দফায় দেশে আসলে আমার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী হয়। আমি বিদেশে কর্মরত থাকাবস্থায় আমার স্ত্রী হালিমা বেগমের কাছে বিভিন্ন সময়ে ৩৭ লাখ টাকা পাঠাই।

২০২৩ সালে আমার স্ত্রী হালিমা বেগম শাহিনুরেসহ একাধিক ব্যক্তির সহযোগীতায় একতরফাভাবে আমাকে তালাক প্রদান করে ও আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। আমি দেশে ফেরত আসলে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

তিনি আরো বলেন, পরবর্তীদের সন্তানদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি আমার দুই সন্তানের জন্ম নিবন্ধনে পিতার নামের জায়গায় আমার নাম পরিবর্তন করে শাহিনুরের নাম জালিয়াতির মাধ্যমে অন্তর্ভূক্ত করে। প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। পরবর্তীতে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেও কোন সারা পাইনি। আমি ঘটনার সঠিক বিচার ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত পিতা নির্ধারণ, এবং টাকা ফেরতের দাবি করছি। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি করছি।

এ ব্যাপারে হালিমা বেগমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে পাওয়া যায়নি।


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ