বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক রায়ে স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) নূরুল ইসলাম এ সাজা দিয়েছেন।
সাজাপ্রাপ্ত হাবিবুর রহমান লোহাগড়া উপজেলার সিঙ্গা গ্রামের মৃত রাঙ্গামিয়া শেখের ছেলে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহাসিন আলী।
মামলার বিবরণে জানাগেছে, হাবিবুর রহমান জাল কাগজপত্র তৈরি করে লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী মৌজার বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্পিত সম্পত্তি নিজ ও তার পিতার নামে নামজারি করার চেষ্টা করেন।
তদন্তে দেখা যায়, তিনি বালাম বইয়ের পাতা পরিবর্তন এবং ভ্যানিশিং কালি ব্যবহার করে নথিপত্রে ঘষামাজা করে মালিকানা প্রমাণের চেষ্টা চালিয়েছিলেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধানের মাধ্যমে এই জালিয়াতির সত্যতা খুঁজে পায়।
যে কারণে ২০১৫ সালের ২৬ আগস্ট হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বিচারক দণ্ডবিধির চারটি ধারায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। এরমধ্যে ৪২০ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
৪৬৭ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
৪৬৮ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
এছাড়াও, আদালত আসামিকে ৪৭১ ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
সবকটি ধারার সাজা একই সাথে চলবে বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।
একইসাথে আসামি হাবিবুর রহমান পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।