বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেলে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। শিক্ষককে হত্যার পর অভিযুক্ত কর্মচারী নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
জানা গেছে, বেতন সংক্রান্ত বিরোধ ও বদলি নিয়ে ক্ষোভ থেকে সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে আসমা সাদিয়ার গলায় ছুরি চালিয়ে দেন ফজলুর রহমান।
পরে নিজের গলায়ও ছুরি চালান তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আসমা সাদিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল চিকিৎসক হোসাইন ইমাম।
ঘাতক কর্মচারী বর্তমানে আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।