মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে ঈদ উপলক্ষে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে।
ঈদের মাত্র আর কয়েকদিন বাকি। ভিড় ও বিড়ম্বনা এড়াতে ছুটি শুরুর আগেই নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী।
সোমবার সকালে ছোট-বড় যানবাহনের বাড়তি চাপ না থাকলেও দুপুর থেকে বেড়েছে মোটরসাইকেলের চাপ। তবে পর্যাপ্ত টোল বুথ থাকায় যথাসময়ে পারাপার হতে পারছেন যাত্রীরা।
মাওয়া প্রান্তে গিয়ে দেখা যায়, সেতুর টোল আদায়ে চালু রয়েছে আটটি বুথ। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের চাপ কমাতে আরও তিনটি অতিরিক্ত বুথ স্থাপন করেছে কর্তৃপক্ষ।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গত কয়েক দিনের তুলনায় দুপুর থেকে যানবাহনের চাপ একটু বেশি। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত ও জাজিরা প্রান্ত মিলে মোট ১৭টি টোল বুথ এবং অতিরিক্ত আরও তিনটি টোল বুথের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে, যাত্রীদের কথা চিন্তা করে টয়লেট, নিরাপদ পানিসহ চিকিৎসার জন্য মেডিকেল টিম রাখা হয়েছে।
পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী (টোল) মো. নাবিল হোসেন বলেন, সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নয় হাজার ৯৬৫ যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ১২ লাখ ১২ হাজার ১৫০ টাকা।
“জাজিরা ও মাওয়ার দুই প্রান্ত মিলে নয় ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৫২৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। যা রমজান মাসে সর্বোচ্চ।”