আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়।
অপর দুই আসামি মেনন ও মানিককে হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২১ জানুয়ারি এই মামলায় মেনন ও মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ছিলেন।’ ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।
এ ছাড়া আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।