যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) অধীনে এই গম আমদানি করা হচ্ছে। সরকারি এই উদ্যোগের ফলে দেশের বাজারে গমের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে খালাস প্রক্রিয়া খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাহাজটিতে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। দ্রুত খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মোট ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ মেট্রিক টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।
জিটুজি চুক্তির আওতায় ধারাবাহিক আমদানি নগদ ক্রয় চুক্তি ‘জি টু জি-০৩’-এর আওতায় এটি দ্বিতীয় চালান। এর আগে প্রথম চালানে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছিল। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় চুক্তির আওতায় এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ বাজারে গমের মজুত আরও শক্তিশালী হবে।
দেশের গমের চাহিদা ও উৎপাদন চিত্র বাংলাদেশে গমের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন। তবে এর বিপরীতে দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টনের মতো। চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ করতে হয় আমদানির মাধ্যমে। সরকারি এবং বেসরকারি—উভয় খাতের মাধ্যমেই এই আমদানি প্রক্রিয়া সচল রাখা হয় যেন সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয়।