• দেশজুড়ে
  • মাদকমুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনই হবে আমাদের সরকারের একটি চ্যালেঞ্জ- পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

মাদকমুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনই হবে আমাদের সরকারের একটি চ্যালেঞ্জ- পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
মাদকমুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠনই হবে আমাদের সরকারের একটি চ্যালেঞ্জ- পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী রাঙ্গমাটি

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, আমাদের যুব সমাজ দেশের প্রাণশক্তি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার সুপরিকল্পিতভাবে যুব সমাজকে অবক্ষয়ের দিকে ঠেলে দিয়ে গেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সকল রাষ্ট্রীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছেন এবং আমাদের দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। সেই নির্দেশনার আলোকে বিপথগামী যুব সমাজকে আলোর পথ দেখানো এবং একটি মাদকমুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ গঠন করাই হবে আমাদের সরকারের একটি চ্যালেঞ্জ।

গতকাল রাতে রাঙ্গামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সূর্যোদয় সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, রাঙ্গামাটি শাখার উদ্যোগে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈষু, বিষু, সাংক্রান, চাংলান, পাতা ও বিহু উপলক্ষে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী পাজন রান্না প্রতিযোগিতা ও ‘মাদকমুক্ত সমাজ চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মাদকাসক্তির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, যারা নেশায় আক্রান্ত থাকেন, তাদের দ্বারা সমাজের কোনো উপকার হয়েছে এমন নজির কেউ দেখাতে পারবেন না। মাদকের একটি সুফলও নেই, বরং এটি একটি সুন্দর পরিবেশকে বিষাক্ত করে তোলে। মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে পঙ্গু করে দেয়। তাই সুন্দর ভবিষ্যৎ ও সুস্থ সমাজ নিশ্চিত করতে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

উপস্থিত সুধীজনের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসার সাথে যারা জড়িত, তাদের সামাজিকভাবে চিহ্নিত করুন এবং আইনের হাতে সোপর্দ করতে সহযোগিতা করুন। জীবন অত্যন্ত মূল্যবান, তাই জীবনকে ভালোবাসুন এবং মাদক থেকে দূরে থাকুন। মাদকের মরণব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে নিজের ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট। আসুন আমরা একযোগে মাদককে ‘না’ বলি এবং একটি মেধাভিত্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা ও প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, পাজন রান্না প্রতিযোগিতা আমাদের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের অংশ। এই সংস্কৃতির চর্চা যুব সমাজকে বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী ঐতিহ্যবাহী পাজন রান্না প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। সূর্যোদয় সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ডা. অজয় প্রকাশ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।