মাসুদ রানা, ময়মনসিংহ ব্যুরো: ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ের সেবা কার্যক্রমকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে দাবি করেছেন ময়মনসিংহ বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) একটি রাষ্ট্রীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত নিয়ম-নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় অনলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক সেবাপ্রত্যাশীকে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়। কিন্তু একটি মহল পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
জহির উদ্দিন বাবর বলেন, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি সব সময় সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেন এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না।
তিনি বলেন, “যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই না করেই ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। একটি রাষ্ট্রীয় সেবা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এ ধরনের অপপ্রচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার বা গ্রহণ না করে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি মূল্যায়ন করা উচিত।
স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্র জানায়, বিআরটিএ একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়মিত যানবাহনের ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন ও ড্রাইভিং লাইসেন্সসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ফলে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সেবার মান নিয়ে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি হলে তা সামগ্রিক সেবা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।