​সাতক্ষীরায় সন্ত্রাসী বাহিনীর তাণ্ডব, মারপিটের পর মৃত ভেবে ফেলে গেল কৃষককে

আপলোড সময় : ১১-০৭-২০২৬ , আপডেট সময় : ১১-০৭-২০২৬

শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের ধলবাড়িয়া ইউনিয়নে চলছে বেপরোয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর তাণ্ডব। এবার শফিকুল ইসলাম নামের এক অসহায় কৃষককে বেধড়ক মারপিটের পর মৃত ভেবে সড়কে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে দেবাড়িয়া ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। অচেতন অবস্থায় শফিকুল ইসলামকে ভর্তি করা হয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

কৃষক শফিকুল ইসলাম দেবাড়িয়া গ্রামের রশিদ গাজীর ছেলে। হামলাকারীরা একই গ্রামের মেহেদী হাসান, মাসুদ, ইমরান হোসেন, কাদের, মাহাবুবসহ ১০-১২ জন।

শফিকুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা জানান, ইতিপূর্বে এই সন্ত্রাসী চক্র শফিকুল ইসলামের আড়াই বিঘা মাছের ঘের দখল করে নিয়েছে। অসহায় হওয়ায় বিভিন্ন সময় হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। মারপিট ও খুন জখমের হুমকি ধামকির প্রেক্ষিতে সাতক্ষীরা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১০৭/১৭ (গ) ধারায় একটি মামলা দাখিল করেন শফিকুল। আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। আদালতে আসামীরা মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পান। পরবর্তীতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন চক্রটি। আদালত থেকে মুচলেকা দেওয়ার কয়েকদিন পর প্রথম দফায় শফিকুলকে মারপিট করে এই সন্ত্রাসীরা। পরবর্তীতে পূর্ব  বিরোধের জেরে আজও বেধড়ক মারপিট করে মৃত ভেবে সড়কে ফেলে যায়, ছিনিয়ে নিয়ে যায় সঙ্গে থাকা মোবাইলও। পরে পুলিশের জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।

তারা আরও জানান, শফিকুলকে ঠেকাতে গেলে তার বাবা রশিদ গাজী, মা ফতেমা বেগম ও চাচা মজিদকেও মারপিট করে সন্ত্রাসীরা। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় বিএনপির একটি প্রভাবশালী চক্র এই সন্ত্রাসী পেছনে ইন্দনদাতা হিসেবে কাজ করছে। হামলাকারীদের একজন মাহাবুর মারপিটের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, একটু হাতাহাতি হয়েছে।

কালিগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, মারপিটের ঘটনাটি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

 সম্পাদক ও প্রকাশক : এসএম শহীদ উল্লাহ, নির্বাহী সম্পাদক : শারমিন সুলতানা, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এসকে তমিজ উদ্দিন

অফিস : ১৯৩/১ (৩য় তলা) মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল : 01753492430, ই-মেইল : ajkerawaz73@gmail.com

অফিস :