রুবেল-এনামুলদের এক চিলতে নস্টালজিয়া

আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৬ , আপডেট সময় : ১৪-১০-২০২৬ ১২:০০:০৯ অপরাহ্ন

রবিন উথাপ্পাকে আউট করে রুবেল হোসেন যখন ডান হাতটা উপরে তুলে সেই চেনা ভঙ্গিমায় দৌড় লাগালেন, মুহূর্তে যেন থমকে গেল সময়টা। এটা ২০২৬ সালের শারজাহর মরুর বুক, নাকি ২০১৫-র সেই রূপকথার অ্যাডিলেড ওভাল? যেখানে রুবেলের বিষাক্ত ইয়র্কারে ইংল্যান্ড চূর্ণ হয়েছিল! কিংবা যখন এনামুল হক জুনিয়র উইকেটটা নিয়েই সেই চেনা চওড়া হাসিতে সতীর্থদের ভালোবাসায় বন্দি হলেন, তখন মনে হলো, সময়টা থমকে গেছে কোনো এক সোনালি বিকেলে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে তারা বিদায় জানিয়েছেন বহু বছর আগে। মাথার চুল কমে গেছে, চল্লিশোর্ধ শরীরের পেশিগুলো এখন আর আগের মতো অবাধ্য গতি মেনে চলে না। কিন্তু সোমবার রাতে ‘ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডস’ টুর্নামেন্টে যুবরাজ সিংয়ের ভারতকে যখন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের বাংলাদেশ হারিয়ে দিল, তখন বোঝা গেল– ফিটনেস আগের মতো না থাকলেও বুকের ভেতরের আগুনটা নেভেনি। ইমরুল কায়েসদের চোখের সেই তীব্র জেদ, রনি তালুকদারের ব্যাটে সেই আদি তাণ্ডব আর রাব্বিদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আসলে শুধু একটা ম্যাচ জয় ছিল না; ওটা ছিল একটি আস্ত প্রজন্মের ফেলে আসা শৈশব-কৈশোরকে টেনেহিঁচড়ে আবার জীবন্ত করে তোলা। লিজেন্ডস লিগের এই স্মৃতির কোলাজে তাই ম্যাচ জয় ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠল অবাধ্য নস্টালজিয়া।

অবসর বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে লম্বা সময় না থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত এই লিগটি মূলত বিশ্বজুড়ে থাকা ক্রিকেটপ্রেমীদের বিনোদন এবং এক চিলতে নস্টালজিয়া উপহার দেওয়ার জন্যই আয়োজন করা হয়ে থাকে, যার সঙ্গে আইসিসির অফিসিয়াল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। সেখানেই আমন্ত্রণটি বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রায় দুই বছর আগে। যেখানে তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানদেরও খেলার কথা ছিল। কিন্তু সর্বশেষ পরিস্থিতিতে সেটা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে ‘বাংলাদেশ লিজেন্ডস চ্যাম্পিয়ন’ দলে ইমরুল কায়েস, মাহমুদল্লাহ রিয়াদ, রনি তালুকদার, ফজলে রাব্বি, নাসির হোসেনরা খেলতে গিয়েছেন।

সম্পাদকীয় :

 সম্পাদক ও প্রকাশক : এসএম শহীদ উল্লাহ, নির্বাহী সম্পাদক : শারমিন সুলতানা, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এসকে তমিজ উদ্দিন

অফিস : ১৯৩/১ (৩য় তলা) মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল : 01753492430, ই-মেইল : ajkerawaz73@gmail.com

অফিস :