কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’। দিবসের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরবর্তীতে উপ-হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সোনালী ব্যাংকের কলকাতায় কর্মরত কর্মকর্তারা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন।
পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ উদযাপন অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর এ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জাতীয় দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য উল্লেখ্য করে আলোচনা অনুষ্ঠানে কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ্য করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে নাগরিকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে সমাপনী বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও কলকাতাস্থ উপ-হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ। তিনি তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
তিনি আরো যোগ করেন, ঐতিহাসিক সংহতির সেই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই কেবল নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং দেশের কল্যাণে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।