সৈকত ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাড়ই গাঁতি গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। সে বর্তমানে কামরাঙ্গীরচর নার্সারি গলিতে বাবার সঙ্গে বসবাস করতো। তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। পরিবারের অন্য সদস্যরা গ্রামের বাড়িতে থাকেন।
খবর পেয়ে কামরাঙ্গীরচর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাকিব হোসেন ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠান।
পাশের কক্ষের ভাড়াটিয়া মাসুদ রানা জানান, সৈকত গ্রামের বাড়ি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কয়েকটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। পুনরায় পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তার বাবা তাকে ঢাকায় এনে একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি করান। তিনি নিজে এখানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
তিনি আরও জানান, ছেলের চুল বড় হওয়ায় বাবা ছোট করে কাটতে বলেন। তবে সৈকত নিজের পছন্দমতো চুল কাটায় বাবা ক্ষুব্ধ হন। এতে অভিমান করে সে মাথার সব চুল কেটে বাবাকে বলে, ‘এটাই তো তুমি চেয়েছিলে।’ পরে দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশকে জানানো হয়।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।