তিনি বলেন, খাদ্যে ভেজাল বা প্রতারণা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভোক্তার অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের দায়িত্ব। বাজার তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে দাম না বাড়ায় বা মজুতদারি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না করে।
কাউকে হয়রানি করা যাবে না, তবে অন্যায়কারীদেরও ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর চকবাজার থানার মৌলভীবাজার এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ব্যবসায়ীদের হালাল উপার্জনের পথে ফিরে আসতে হবে। কোনো পণ্য ৫০ টাকায় কিনে এনে যুক্তিসঙ্গত লাভে বিক্রি করা স্বাভাবিক, কিন্তু অযথা দাম দ্বিগুণ করা অনৈতিক। বাজারে কোনো পণ্যের দাম সামান্য বাড়লেই সেটিকে অজুহাত বানিয়ে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়া ঠিক নয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, লেবুর দাম সামান্য বাড়লেই তা ২শ টাকায় বিক্রি করা ন্যায্য হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা শুধু লাভের বিষয় নয়, এটি মানুষের কল্যাণের সঙ্গেও জড়িত। সততা, ন্যায্যতা ও দায়িত্ববোধ থাকলে বাজার স্থিতিশীল থাকবে এবং মানুষ স্বস্তি পাবে।
এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।