বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
এক বিজ্ঞপ্তিতে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এজলাস চলাকালে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে।
একদল আইনজীবী আদালতকক্ষে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খল আচরণে লিপ্ত হন এবং দায়িত্বরত বিচারকের প্রতি অসদাচরণ করেন। ঘটনার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আদালতের ভেতরে বেঞ্চ ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয় এবং বিচারকের প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ করা হয়। উদ্ভূত প্রতিকূল পরিবেশের কারণে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এজলাস মূলতবি করে খাসকামরায় চলে যান। এর ফলে আদালতের স্বাভাবিক বিচারকার্য মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বিচারকের অপসারণের দাবিতে আদালতের অভ্যন্তরে ও বাইরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। উল্লেখিত ঘটনাটি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আজ (বুধবার) আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালত, বরিশালের বেঞ্চ সহকারী এজহারকারী হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এবং দণ্ডবিধি আইনে মামলা দায়ের করেছেন। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংযম, দায়িত্বশীলতা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রদর্শনের আহ্বান জানানো হয়েছে।