তার বিরুদ্ধে মামলা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা মনে করি এটা এই নতুন সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন এনসিপি আহ্বায়ক।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাষ্ট্রপতি নীরব ছিলেন দাবি করে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণহত্যার সময় কিন্তু রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেননি। তিনি নীরব, নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের পক্ষ থেকে কোটা সংস্কার দাবিতে আমরা রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত গিয়েছিলাম। তার নীরব ভূমিকার কারণে এই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে।
ফলে গণহত্যার দায়ে তিনিও অভিযুক্ত। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আর্থিক অনৈতিকতার অভিযোগ রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি বলতে আমরা যেটা বুঝি– অভিভাবক, সম্মান-শ্রদ্ধার যে ব্যক্তিত্ব, তার কোনোটাই আসলে তার নেই।
রাষ্ট্রপতির চলে যাওয়া সময়ের ব্যাপার উল্লেখ করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের পদক্ষেপ নিতে সংসদে সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই কাজ করবে।
কারণ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের জাতীয় ঐক্য রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে আসতে পারেনি, তাই আগে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের দাবি জনগণের পক্ষ থেকে ছিল। সেই সময় রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে রাষ্ট্রপতিকে রেখে দেওয়া হয়েছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, নতুন সংসদ তৈরি হয়েছে, আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতির চলে যাওয়াটা এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার।