মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ডিআইজি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে রেঞ্জের অধীন আটটি জেলার পুলিশ সুপারদের এই নির্দেশ পালনের কথা বলা হয়েছে।
ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আদিষ্ট হয়ে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে- (১) কার্যক্রম নিষিদ্ধ/স্থগিত ফ্যাসিস্ট সংগঠন/সংগঠনসমূহের যে নেতৃবৃন্দ এবং কর্মী জামিনে মুক্তির পর দলকে শক্তিশালী, সংগঠিতকরণ এবং মাঠপর্যায়ে তৎপরতা প্রদর্শন করতে সক্ষম, তাদের জামিন হওয়ার পর অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখাতে (শ্যোন অ্যারেস্ট) হবে। আর যারা বর্ণিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী নয়, তাদের জামিন হলে গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর প্রয়োজন আপাতত নেই। (২) প্রটোকল ও প্রটেকশন প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ করতে হবে।’
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘ইতিপূর্বে এ বিষয়ে গ্রুপ মেসেজের মাধ্যমে পুলিশ সুপারদের অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনুসরণীয়।’
রাজশাহী রেঞ্জের আওতায় থাকা রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট—এই আট জেলার পুলিশ সুপারদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন জঙ্গিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের শক্ত প্রমাণ সাপেক্ষে আবার গ্রেফতার করতে বলা হয়েছে। কিন্তু আমার চিঠিটাকে ভুলভাবে অনেকে তুলে ধরেছে। আগামীতে যাতে আইনশৃঙ্খলা ঠিক থাকে, সেদিকে নজর রেখে আমি চিঠিটি পাঠিয়েছি। যারা ভালো তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’