• জাতীয়
  • বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দেখে করণীয় ঠিক করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দেখে করণীয় ঠিক করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

“আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, সরকারি পর্যায়ে লিখিত কিছু পাইনি,” বলেন তিনি।

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
বাণিজ্য চুক্তির পক্ষে-বিপক্ষে দেখে করণীয় ঠিক করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে এখনো ‘বলার মত কোনো অবস্থা তৈরি হয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, “আমরা দেখছি, এর পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে। এরপর করণীয় ঠিক করব।”

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়গুলো গোপন ও তড়িঘড়ি করেছে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “কিছু ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’ ছিল, সেটা চুক্তির আলোচনার সময়। তবে এ চুক্তিটা একটি ‘সেনসিটিভ ইস্যু’ ছিল। বিভিন্ন কারণেই এই বিকাশমান পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করেছে। এর জবাবে নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এই শুল্ক ও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সই করা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পরবর্তী করণীয় কী হবে তা নির্ধারণে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সচিব মাহবুবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত আগের ধার্য করা শুল্ক ‘মেইনটেইনেবল না’ ঘোষণা করেছে। এরপর তারা সব দেশের জন্য প্রথমে ১০ শতাংশ, পরে ১৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছে। কিন্তু আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুধু ঘোষণা শুনছি, সরকারি পর্যায়ে লিখিত কিছু পাইনি।

“যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ১২২ (ধারায়) আইনি ব্যাখ্যায় যা আছে, সেটা ১৫০ দিনের মধ্যে তাদের কংগ্রেসের অনুমোদন হতে হবে। সরকারি কোনো কাগজপত্র আসেনি। ফলে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।”

শুল্ক ও চুক্তি বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত নেওয়ার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “কোন সেক্টরের কী সমস্যা, সেগুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।”

দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেসব পণ্য আমদানি তদারকি করে, সেসব পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে বাজারে।”

তবে রমজানের আগে চাহিদা বাড়ায় কিছু সবজি জাতীয় পণ্যের দাম বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চাঁদাবাজি নিয়ে এক প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “চাঁদাবাজি বন্ধে এতদিন বিভিন্ন সরকার আশ্বাস দিলেও কাজ হয়নি। অপেক্ষা করেন, বর্তমান সরকার কাজ করে দেখাব।”

Tags: বাণিজ্যমন্ত্রী বাণিজ্য চুক্তির বিপক্ষে