শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড় গ্রামে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তেই মজিবুর মাতুব্বরের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, খাদ্যসামগ্রীসহ জীবনের সঞ্চয় ধ্বংস হয়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিস প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করে। ঘটনার পর থেকে পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছিল। “সালথায় আগুনে পুড়ল কৃষকের ঘর, খোলা আকাশের নিচে পরিবার” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলে সাড়া ফেলে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিমন্ত্রী ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন।
এসময় তিনি বলেন, ‘একটি পরিবার হঠাৎ করে সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে- এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা তাদের পাশে আছি। দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মামুন সরকার, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খানসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মজিবুর মাতুব্বর প্রতিমন্ত্রীর সহায়তায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আগুনে সব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। এখন অন্তত পরিবার নিয়ে মাথা গোঁজার আশাটা আবার জেগেছে।’
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী জানান, পরিবারটির পুনর্বাসনে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। দ্রুত একটি নতুন ঘর নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে তারা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে রান্নাঘরে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।