ইরানের রাজধানী তেহরানের অন্যতম প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র গান্ধী হাসপাতালে সামরিক হামলার পর সেখানে এক জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, হামলার পরপরই হাসপাতালের নার্স ও কর্মীরা রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছেন।
হামলার ক্ষয়ক্ষতি ও বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে গান্ধী হাসপাতাল ভবনটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে। হামলার ভয়াবহতায় ভবনের বিভিন্ন অংশ ধসে পড়েছে এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে রোগীদের জীবন রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালটি খালি করার নির্দেশ দেয় ইরানি কর্তৃপক্ষ। তবে হামলায় কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।
ইরানের পাল্টা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হাসপাতালে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ইরান। ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। শুধু ইসরায়েল নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও ইরান বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার বিস্তার এই সংঘাত কেবল ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাই লক্ষ্য করেও ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এর ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে এক অস্থিতিশীল যুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই যুদ্ধবিরতির সংকেত পাওয়া যায়নি।