যশোরের মণিরামপুরে ভুক্তভোগী নারীর আদালতে দায়ের করা মামলায় মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন মুনলিট ক্যাফে ও গল্পকুঠি ক্যাফের মালিক জি এম ফাহিম আলমগীর। বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি ৫ হাজার টাকার বন্ডে মুচলেকা প্রদান করে ছাড়া পান। একই সঙ্গে অপর দুই আসামি শারপিন নাহার ও আশিকুর রহমানও আদালতে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন। ফাহিম আলমগীরের পিতা জি এম আলমগীর হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এক ভুক্তভোগী নারী গত ৯ ফেব্রুয়ারি ১০৭/১১৪/১১৭ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে ৫ হাজার টাকার বন্ডে মুচলেকা প্রদান করেন। মুচলেকায় উল্লেখ করা হয়, ১ বছরের মধ্যে তারা যদি কোনোভাবে শান্তি ভঙ্গ করেন বা শান্তি ভঙ্গমূলক কাজে জড়িত হন, তবে বন্ডের শর্ত ভঙ্গকারী হিসেবে গণ্য হবেন এবং বাংলাদেশ সরকারকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন। মুচলেকায় আরও বলা হয়েছে, নিশ্চয়তাকারীরা এই মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন যে বন্ড সম্পাদনকারী ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ডের শর্তাবলি মেনে চলবেন। শর্ত ভঙ্গ হলে বন্ড বাতিল বলে গণ্য হবে এবং নিশ্চয়তাকারীরাও বাংলাদেশ সরকারকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন।
এ ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ডেজিনা ইয়াসমিন মুচলেকায় নিশ্চয়তাকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন।
এর আগে ভুক্তভোগী নারী গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মণিরামপুর আমলী আদালতে জি এম ফাহিম আলমগীর, শারমিন নাহার ও জি এম আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ৩১২, ৩১৩, ৩১৫, ৩১৬ ও ৫০৬(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে সিআইডি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ওই মামলাটি তুলে নিতে তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।স্থানীয় ভাবে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাও তার পরিবারকে ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করছেন।