• ব্যবসায়
  • আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বৈঠক: গুরুত্ব পেল ২ ইস্যু

আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বৈঠক: গুরুত্ব পেল ২ ইস্যু

চলমান ঋণ কর্মসূচি এবং ব্যাংকিং খাতের সংস্কার নিয়ে আইএমএফ প্রতিনিধির সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

ব্যবসায় ১ মিনিট পড়া
আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বৈঠক: গুরুত্ব পেল ২ ইস্যু

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চলমান ঋণ কর্মসূচি এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতিসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও মুদ্রানীতির স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিয়েছে দুই পক্ষ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন আইএমএফের সফররত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং আইএমএফের শর্তানুযায়ী গৃহীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

আলোচনার মূল দুই ইস্যু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে মূলত দুটি প্রধান ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে। প্রথমটি হলো—দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক নীতি ও মুদ্রানীতি। দ্বিতীয়টি হলো—ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও সংস্কার। বিশেষ করে নীতি সুদহার সমন্বয় এবং বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে আইএমএফ প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চেয়েছেন।

ঋণ কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি শুরু করে বাংলাদেশ। পরবর্তীতে গত বছরের জুনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ঋণের পরিমাণ আরও ৮০০ মিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পাঁচ কিস্তিতে মোট ৩.৬৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা পেয়েছে। বর্তমানে ১.৮৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তা এখনও ছাড়েনি সংস্থাটি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ওয়াশিংটন বৈঠক কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে ওয়াশিংটনে আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠক (Spring Meeting) অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সংস্থাটির একটি বিশেষ মিশন ঢাকা সফর করবে। ওই সফরের পর মিশন তাদের প্রতিবেদন আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদে জমা দেবে, যার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী কিস্তির ঋণ ছাড়ের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। পরবর্তী বৈঠকে নীতি সুদহার এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Tags: bangladesh bank banking reform imf economy news governor mostakur rahman loan-installment