জেলার কোথাও বিনোদনের উল্লেখযোগ্য স্থান না থাকায় নানা শ্রেণি-পেশার লোকজন এই জমিদার বাড়িতে ভীড় করছেন। জমিদারদের প্রাচীনতম নিদর্শন দেখতে পেয়ে আনন্দিত দর্শনার্থীরা।
১৯ শতকে নির্মিত কারুকার্য খচিত জমিদার বাড়ি দেখে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা। অন্দর মহলের পুকুরে সাতটি সানবাঁধা পুকুর ঘাট রয়েছে। এত সুন্দর পুকুরে পানি না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন অনেকে।জমিদার বাড়ির সামনের বিশাল পুকুরটি ময়লা-আবর্জনায় ভরা দেখে বিনোদন পিপাসুরা পুকুরটি সংস্কারের দাবি করেন।
ঢাকা থেকে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঘুরতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, আগেও একবার এসেছিলাম। তখন অন্দরমহলের পুকুরটি পানিতে ভরা ছিল। সেই সাথে লাল পদ্মফুলে ভরা পুকুরটি বাড়তি আনন্দ দিত দর্শনার্থীদের। এবার পুকুরের সেই জৌলুস নেই।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থেকে পরিবারের সাথে এসে জমিদার বাড়ির কারুকাজ দেখে বিস্মিত হন কলেজ পড়ুয়া মেয়ে কথা। তিনি বলেন, জমিদার বাড়ি এত সুন্দর হয়, না দেখলে বিশ্বাস হবে না। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রাপ্তি খুব কম। বিশুদ্ধ পানি নেই। বসার কোনো ব্যবস্থা নেই, নেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বাথরুম।পুকুর ময়লা-আবর্জনার ভরা।
দ্রুত সময় জমিদার বাড়িটি সংস্কার করে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এই প্রত্যাশা স্থানীয় লোকজন ও দর্শনার্থীদের।
বালিয়াটি জমিদার বাড়ির সহকারী কাস্টোডিয়ান মুহাম্মদ নিয়াজ মাকদুম জানান, দর্শনার্থীদের চাহিদার তুলনায় কিছু ঘাটতি রয়েছে। এগুলো সম্পন্ন হলে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়বে।