পরে ফেরি স্টাফ ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অল্প সময়ে মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এসময় আগুনের স্ফুলিঙ্গের সাথে কালো ধোঁয়া পাইপ থেকে বের হতে দেখে যাত্রীরা আতংকিত হয়ে পরে।
পরে দ্রুত ফেরিটি পন্টুনে ভিড়িয়ে যানবাহন ও যাত্রীদের নামানো হয়। তবে ফেরি কর্তৃপক্ষ বলছে এরকম সাইলেন্সর পাইপে আগুন লাগার ঘটনা একটি স্বাভাবিক পক্রিয়া যা মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে। কিন্তু আজকে ওই ফেরিতে আগুন স্বাভাবিকের থেকে বেশি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেরিটি পাটুরিয়া চার নম্বর ফেরি ঘাট থেকে যানবাহন ও যাত্রী বোঝাই করে দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়া দেন।
এসময় কয়েকশত গজ যাওয়ার পরে নিচের সাইলেন্স পাইপের ছিদ্র দিয়ে আগুনের স্ফুলিঙ্গ বের হতে থাকে। সাথে কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে চার পাশ অন্ধকার হয়ে যায়। এসময় ফেরিতে থাকা যানবাহন চালকরা আতংকিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। এসময় ঘাটে ফেরি ভীড়িয়ে যানবাহন নামানোর পাশাপাশি ফেরিতে থাকা হুস পাইপ দিয়ে সাইলেন্স পাইপে পানি দেওয়া হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে কয়েক মিনিটের মধ্যে আগুন নিভিয়ে ফেলে। বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুবেলুজ্জাম উদ্দিন , ‘ফেরিটির ইঞ্জিন দুস্টোকের হওয়ায় লুবয়েল মবিল ছিটে সাইলেন্স পাইপে জমে যায়। পরে কার্বন জমে হঠাৎ করেই আগুন লেগে যায়। একবার এ পাইপে আগুন লাগলে পরে আর কয়েক বছর লাগে না। বেশি আগুন লাগার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, ফেরিটিকে ভাসমান কারখানা মধুমতিতে নেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি আমরা চেক করে পরে বিস্তারিত জানতে পারবো।’ শিবালয় স্টেশনের ফায়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, আগুনের খবর পেয়ে ফেরির স্টাফ আর আমরা মিলে মুহুর্তের মধ্যে আগুন নিভিয়ে ফেলি। এ ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অঞ্চলের ডিজিএম মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেন, ‘ফেরিতে আগুন লাগার বিষয়টি সিরিয়াস কিছু না। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে আজকে কেন সাইলেন্স পাইপে কার্বন জমে এতো বেশি আগুন বের হলো বিষয়টি আমাদের ইঞ্জিনিয়ার বিভাগ খতিয়ে দেখবে।’