সচিবালয়ে পৌঁছে কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই আকস্মিক পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকাল ৯টার কিছুক্ষণ পর তিনি সচিবালয়ে প্রবেশ করেন। গাড়ি থেকে নেমে তিনি সরাসরি হেঁটে ৬ নম্বর ভবনে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকৃত মন্ত্রণালয়সমূহ প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ৬ নম্বর ভবনে অবস্থিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন এবং কাজের গতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে একই ভবনের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, নারী ও শিশু বিষয়ক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী ৫ নম্বর ভবনের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ৩ নম্বর ভবনের বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন।
কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে সরাসরি কথা বলেন। দাপ্তরিক কাজের স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে তিনি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সচিবালয়ের অন্তত আটটি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন শেষে তিনি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ফিরে আসেন।
কৃষক কার্ড সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সভা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দিনের মতোই ব্যস্ত সময় কাটান। এদিন সকালে কৃষক কার্ড সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে তার। উক্ত সভায় স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, অর্থ, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।