• দেশজুড়ে
  • জামালপুরে হত্যারদায়ে পাঁচ কিশোরের দশ বছরের আটকাদেশ

জামালপুরে হত্যারদায়ে পাঁচ কিশোরের দশ বছরের আটকাদেশ

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
জামালপুরে হত্যারদায়ে পাঁচ কিশোরের দশ বছরের আটকাদেশ

আবুল কাশেম ,জামালপুর প্রতিনিধি:-

জামালপুরে হত্যার দায়ে পাঁচ কিশোরকে ১০ বছরের আটক আদেশ দিয়েছে আদালত। জানা যায় এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যূনাল-১ পাঁচ নাবালক কিশোরকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে দশ বছরের আটকাদেশ দিয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবূনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন। দোষী সাব্যস্তরা হলেন, জেলার ইসলামপুর উপজেলার মৌজাআটা বর্তমানে গাওকুড়া মন্ডলপাড়া কলেজ মোড় গ্রামের এস এম আব্দুস সালামের ছেলে এস এম জামালে মো. রত্ন (১৬), শিংভাঙ্গা গ্রামের আসাদুজ্জামান ফকিরের ছেলে মো. রোকুনুজ্জামান ফকির (১৬), চর গাঁওকুড়া গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে মো. মিজানুর রহমান মিজান ওরফে আলামিন (১৪), ডেঙ্গারগর বর্তমানে চরগাওকুড়া গ্রামের মনিরুজ্জামান খন্দকারের ছেলে কে এম সামিউজ্জামান ওরফে সিয়াম (১৭) এবং পাহালোয়ান বাড়ী বর্তমানে চর গাঁওকুড়া গ্রামের বাবুল পাহলোয়ান ওরফে মাইগ্যা বাবুলের ছেলে মো. উমর ফারুক ওরফে সাব্বির (১৫)। সরকার পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট মোঃ ফজলুল হক পি.পি. সাংবাদিকদের জানায়, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা সকলে বন্ধু। তারা একই উপজেলার ভেঙ্গুরা মধ্যপাড়া এলাকায় মোঃ ্্এমাল উদ্দিন শেখের ছেলে ফারুক (৩৮) নামে এক ট্রলি চালকের সাথেও বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। আসামিরা মাঝে মাঝে ফারুকের বাইক চালাত এবং তার কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিত। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ফারুক ছেলেদের ওপর আলাদাভাবে যৌন নির্যাতন চালাত। ছেলেরা যখন জানতে পারে যে তাদের সবার ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে, তখন তারা তা বন্ধ করার চেষ্টা করে। ২০১৫ সালের ২৫শে মে রাতে ছেলেরা মোবাইল ফোনে ফারুককে ডেকে উপজেলার চর গাঁওকুড়া এলাকার একটি কাঠের বাগানে নিয়ে যায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফারুককে হত্যা করে এবং সেখানেই তার লাশ ফেলে রেখে যায়। মামলার সূত্রে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রাসঙ্গিক নথি পরীক্ষা করার পর আসামীদের দোষী সাব্যস্ত করে আসামীদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করেন। সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন, এ্যাডভোকেট মোঃ ফজলুল হক পি.পি. মামলার শুনানি করেন এবং আসামী পক্ষে ছিলেন, এ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুস সালাম।