• দেশজুড়ে
  • পটুয়াখালীর বাউফলে ভাঙা সেতু মেরামত না করায় জনদুর্ভোগ চরমে।

পটুয়াখালীর বাউফলে ভাঙা সেতু মেরামত না করায় জনদুর্ভোগ চরমে।

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
পটুয়াখালীর বাউফলে ভাঙা সেতু মেরামত না করায় জনদুর্ভোগ চরমে।

এইচ এম মোজাহিদুল ইসলাম নান্নু:

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের সুলতানাবাদ-রামনগর গ্রামের সংযোগ সেতু ভেঙে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিনেও সেতুটি মেরামত না করায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নাজিরপুর ইউনিয়নের সুলতানাবাদ-রামনগর খালের উপর থাকা আয়রন সেতুটির স্লাব ২০২০ সালে ভেঙে যায়। এরপর থেকে ওই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নাজিরপুর থেকে সূর্যমণি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজারে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সেতু পারাপার হতে হয়। এছাড়াও রামনগর ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা, সুলতানাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ধানদি বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা কলেজ ও নুরাইনপুর কলেজের শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সেতু পারাপার হচ্ছেন।

স্থানীয় মনসুর আহমেদ নাইম নামের এক তরুণ বলেন, সেতুটি মেরামত বা পুণ:নির্মাণ প্রয়োজন হলেও কর্তৃপক্ষ পুরোপুরি উদাসীন। যে কারণে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, মাঝে মধ্যে গ্রামবাসী কাঠ দিয়ে পাটাতন তৈরি করে চলাচল করেন। কিন্তু কয়েকদিন পরই ফের ওই পাটাতন ভেঙে সেতুটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সেতুটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে মেরামত বা পুণনির্মাণ এখন সময়ের দাবী।

আবদুল করিম নামের এক অটো রিক্সা চালক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি মেরামত না করায় এই সড়কে আয় উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষিপণ্য নিয়ে হাটবাজারে যাওয়া যাচ্ছে না। গাড়ি চলাচল করছে না। অচিরেই সেতুটি মেরামতের দাবী জানান তিনি।

এলজিইডি সূত্র জানায়, ২০০৬ সালের দিকে সুলতানাবাদ-রামনগর খালের উপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। প্রায় ৬ বছর আগে সেতুটির স্লাব ভেঙে যায়। এরপর আর মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ প্রসঙ্গে এলজিইডির বাউফল উপজেলা প্রকৌশলী আরজুরুল হক বলেন, শিগগিরই সেতুটি পরিদর্শন করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।