জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অকুতোভয় যোদ্ধা এবং বীর শহীদদের পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের দুঃসহ স্মৃতি ও বীরত্বগাথার কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মেঘনা গ্যালারিতে প্রবেশ করেন। সেখানে উপস্থিত সবার কাছে ব্যক্তিগতভাবে গিয়ে তিনি কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় জুলাই বিপ্লবের দিনগুলোর সংগ্রামের বর্ণনা দিতে গিয়ে অনেক যোদ্ধাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাদের আবেগপ্রবণ কণ্ঠে উঠে আসে বিপ্লবের ময়দানে সাথীদের হারানোর বেদনা ও আত্মত্যাগের কথা। প্রধানমন্ত্রী এসময় অত্যন্ত ধৈর্য ধরে প্রত্যেকের কথা শোনেন এবং তাদের কাঁধে হাত রেখে সান্ত্বনা দেন। অনেকের মাথায় হাত বুলিয়ে তিনি সাহস জোগান।
এর আগে বিকেলের দিকে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কিছু সময় পর গ্যালারিতে প্রবেশ করেন ৫৩ জন জুলাইযোদ্ধা। তারা সংসদের দর্শক গ্যালারিতে বসে অধিবেশনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় তাদের উপস্থিতি এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।
শহীদ পরিবারের সদস্যরাও এসময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের মনের আকুতি তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং দেশের নতুন অগ্রযাত্রায় তাদের ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।