গাজীপুরে ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজদীঘি সংস্কার ও টেকসই উন্নয়নের দাবি জানিয়েছে ভাওয়াল রাজদীঘি সংস্কার ও টেকসই উন্নয়ন নামে একটি সংগঠন। সোমবার দুপুরে গাজীপুর প্রেসক্লাব সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গাজীপুর জেলার প্রাচীন নিদর্শন গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ভাওয়াল রাজবাড়ী যা প্রায় ৫ একর জায়গার উপর জয়দেবপুর মৌজায় অবস্থিত। কিন্তু রাজবাড়ী এখন আর রাজবাড়ি নেই। রাজবাড়ীর মূল ফটকে প্রবেশ করলেই দেখা যাবে সামনের সুন্দর ভবনটা যা বর্তমানে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এ রাজবাড়ীর পশ্চিম পাশে রয়েছে বিশাল একটি দীঘি। যাকে রাজদীঘি বলা হয়। ১৮৩৫ সালে সন্ন্যাসী রাজা রামেন্দ্রনারায়ণ এর পিতামহ জমিদার কালিনারায়ণ রায় চৌধুরী এটি খনন করেন। এরকম পুরাতন একটি ঐতিহ্যবাহী দীঘিকে নিয়ে গাজীপুরবাসী গর্ব করলেও বাস্তবে এর চিত্র দেখলে যে করোরই মন খারাপ হয়ে যাবে। অযন্তে অবহেলায় দিন দিন হারাতে বসেছে দীঘির পরিধি ও সৌন্দর্য এবং যখন তখন পথচারী ও অটো রিক্সা ড্রাইভারদের মলমূত্রত্যাগের ফলে দীঘির পানি ভয়াবহ দূষণে আক্রান্ত হচ্ছে। গাজীপুরের ভাওয়াল রাজদিঘী ও কাজী আজিম উদ্দিন কলেজের পুকুরটি সংস্কার ও টেকসই উন্নয়নের দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। একইসঙ্গে, ভাওয়াল রাজবাড়ী, রাজ শশ্মশানকে প্রতœতত্ত্ব বিভাগের আওতায় এনে পর্যটন কেন্দ্র ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। এছাড়া বর্তমানে রাজবাড়িতে চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রমকে অন্যত্র সরিয়ে, রাজবাড়িকে দ্রুত সংস্কার ও সংরক্ষণ, ঐতিহ্যবাহী শশ্মশানঘাটটিকেও দখলমুক্ত করে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন রনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম আলম, সদস্য সিরাজুল হক খোকা, তাজুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
গাজীপুরে ভাওয়াল রাজদীঘি সংস্কার ও টেকসই উন্নয়নের দাবি
দেশজুড়ে
১ মিনিট পড়া
আব্দুল মালেক মিয়া, ব্যুরো চীফ গাজীপুর :