পুনর্মুক্তির নেপথ্যে কারণ
নির্মাতা সংস্থা ট্রু এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড জানিয়েছে, দর্শকদের নতুন করে এই ভালোবাসার গল্পে ডুব দেওয়ানোই তাদের লক্ষ্য। পরিচালক কুকু কোহলি মনে করেন, রোমান্টিক ছবির দর্শক আজও বিপুল। নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও এই ছবির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। অতীতের জনপ্রিয় সিনেমাকে নতুন করে ফিরিয়ে আনার যে প্রবণতা শুরু হয়েছে, এটি তারই অংশ।
আধুনিক সম্পাদনা ও নয়া ট্রেলার
পুনর্মুক্তির ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই প্রকাশ পেয়েছে ছবির একটি নতুন ট্রেলার। নির্মাতাদের দাবি, আজকের দর্শকদের রুচির কথা মাথায় রেখে ছবিটি নতুন করে সম্পাদনা করা হয়েছে। আধুনিক উপস্থাপনার ছোঁয়া থাকলেও অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে ছবির আবেগ, রোমান্স ও নাটকীয়তা। যদিও গল্পের মূল সুর—ভালোবাসা, ত্যাগ এবং বিপদের মুখে দাঁড়িয়ে প্রেমিকের লড়াই—সবই আগের মতোই থাকছে।
কেন্দ্রীয় চরিত্র ও কুশীলব
২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন করন নাথ ও জিভিধা শর্মা। পরিচালক ছিলেন কুকু কোহলি, যিনি 'ফুল অউর কাঁটে'-এর মতো হিট ছবির জন্য পরিচিত। গল্পে কেন্দ্রীয় চরিত্র করণ, যে নিজের ভালোবাসা পূজাকে পাওয়ার জন্য সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গেও লড়াই করতে পিছপা হয় না। ছবিতে করন ও জিভিধার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন আদিত্য পাঁচোলি, রজত বেদি, জনি লিভার ও অরুণা ইরানি।
ওটিটি বা স্যাটেলাইটে মুক্তি দেওয়া হয়নি কেন?
ট্রু এন্টারটেইনমেন্ট-এর শৈলেন্দ্র মাণ্ডোয়ারা জানান, এই ছবিটি ইচ্ছে করেই কখনও স্যাটেলাইট বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি দেওয়া হয়নি। কারণ তাঁদের বিশ্বাস, 'ইয়ে দিল আশিকানা' বড় পর্দাতেই উপভোগ করার মতো সিনেমা। এটি মূলত বড় পর্দার দর্শকদের জন্যই তৈরি।