গ্রেপ্তার ও মামলার বিবরণ
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আফসান-আল-আলমের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বনগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহমুদুল হাসান রুবেলকে গ্রেপ্তার করে। রুবেল বনকালী এলাকার গেসু মিয়ার ছেলে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
গত ২৮ জানুয়ারি শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম এবং সেদিন রাতেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ৩০ জানুয়ারি নিহতের স্ত্রী মারজিয়া বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে মোট ২৩১ জনের নামীয় ও অজ্ঞাত আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ
স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা গ্রেপ্তারের ঘটনায় শেরপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। দলের আহ্বায়ক মো. মামুন অর রশিদ মামুন এবং সদস্য সচিব মো. নিয়ামুল হাসান আনন্দ এক বিবৃতিতে জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে রুদ্ধ করার যে কোনো অপচেষ্টা দেশের জনগণ কখনোই মেনে নেবে না। সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।