এ দেশ তোমরাই গড়বে। সেদিন তোমরাই বলবে ‘আমরাই বাংলাদেশ’।
বাংলাদেশ নামক উড়োজাহাজের চালক হবে এ দেশের যুবকেরা, আমরা থাকব প্যাসেঞ্জারের সিটে। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ বেকার। তারা রাস্তায় নেমে বলেনি, আমাদের বেকার ভাতা দিন।
তারা বলেছে, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমার যোগ্যতা ও মেধা অনুযায়ী আমাকে কাজ দিতে হবে। প্রিয় যুবকেরা, আমরা কথা দিচ্ছি, তোমাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলব। তোমাদের হাতে বেকার ভাতা নয়, মর্যাদা অনুযায়ী কাজ তুলে দেব।
পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, বিদেশে পাচারকারীদের পেটে হাত দিয়ে ২৮ লাখ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনব। যে এলাকা যত বেশি পিছিয়ে, সেই এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে তত বেশি এগিয়ে নেওয়া হবে। আমরা দুর্নীতি নিজেরাও করব না, অন্য কাউকে করতেও দেব না।
কিশোরগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় এ এলাকার মানুষ বাংলাদেশের প্রশাসনের শীর্ষ পদে অবস্থান করেছে। কিন্তু তারা এ এলাকাকে কী দিয়েছে, তা আপনারাই বিচার করবেন।
বিগত জুলাই আন্দোলনের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই আন্দোলনে আমাদের যুবকদের পাশাপাশি মা ও মেয়েরাও আন্দোলনের শামিল হয়েছে। আমরা কথা দিচ্ছি, সরকার গঠন করতে পারলে তাদের সম্মানিত করা হবে।
নিজের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, কিছু লোক এখন আমার পেছনে লেগেছে। আমার আইডি হ্যাক করে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক মেসেজ দিয়েছে। কিন্তু মানুষ জানে মায়েদের আমি কীভাবে সম্মান করি। পরিষ্কারভাবে বলেছি, দেশের জন্য কে কী করব সরাসরি ডায়লগ করি। কে কাকে ভোট দেবেন, সেটি জনগণের হাতে ছেড়ে দেই। ‘আমার ভোট আমি দেব, অন্যের ভোটও আমি দেব’-সেটি আর চলবে না। দেশের যুবসমাজ কার পক্ষে, তা পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জানিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামীর দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য আপনারা আমাদের সহায়তা করুন। আমরা আপনাদের এর প্রতিদান দেব। আমরা সরকার গঠন করতে পারলে এ দেশে আর হাত পাতার মানুষ থাকবে না। সবার হাত কর্মের হাতে পরিণত হবে।