তারা একাত্তর (১৯৭১) সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। আমাদের পালিয়ে যেতে হয়েছিল। আমরা চব্বিশ ভুলবো না, একাত্তরও ভুলবো না।
আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীনতা পেয়েছি৷ যুদ্ধ করেছি একটা স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর আসনের ফাড়াবাড়ি স্কুল মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে এসব কথা বলেন তিনি৷
জামায়াতের প্রার্থীকে না জেনে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব বলেন, এ সরকার নিরপেক্ষ সরকার। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবে, তারা সরকার গঠন করবে। এবার সুন্দর নির্বাচন হবে৷ মন যাকে চাইবে, তাকেই ভোট দেবেন৷ জেলার বড় বড় সড়ক, কলেজ-মাদরাসার উন্নয়ন, ভুট্টা চাষ, বরেন্দ্র টিউবওয়েল আমরা করেছি৷
মির্জা ফখরুল বলেন, হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সম্প্রীতি স্থাপন করতে চাই।
যুবকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে বিদেশে পাঠাতে চাই, যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে আয় করতে পারে৷ দক্ষিণাঞ্চলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে একজন করে বিদেশে থাকে৷ বাইরে গেলে এলাকার উন্নয়ন হবে৷ তথ্য প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে চাই৷ কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চাই৷ বিমানবন্দর চালুর গুরুত্বের আগে আয় বাড়ানোকে গুরুত্ব দেব৷ বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী কলেজ করতে চাই৷ সবাই এক হলে কাজগুলো করা সম্ভব হবে৷ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের ভয় কাজ করে৷ ভয় করবেন না, আপনি এ দেশের নাগরিক, আমিও এদেশের নাগরিক। আপনাদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না৷ কেউ আপনাদের ক্ষতি করবে না। আপনাদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের, আমাদের সবার৷ এটা আপনাদের দেশ, আপনাদের মাটি। এটা আপনার জমি, আপনার দেশ।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আপনাদের পুরানা মানুষ৷ পরীক্ষিত মানুষ, এটা আমার শেষ নির্বাচন। এবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেবেন৷ ভোট আপনাদের আমানত, এটার খেয়ানত করবো না৷ আমরা বাপ-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি৷ সততার সঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো৷