গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মিত মডেল মসজিদ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও আজও নিয়মিত নামাজ শুরু হয়নি।ইমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেম নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও রহস্যজনক কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেমে আছে।ফলে প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তো দূরের কথা,জুমার নামাজও নিয়মিতভাবে আদায় করা যাচ্ছে না।গত ২৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে পলাশবাড়ী উপজেলা হলরুমে আয়োজিত পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় বিষয়টি সামনে আসে।সদ্য যোগদান করা গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার উপস্থিতিতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকমের সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিলটন বিষয়টি উত্থাপন করেন।তিনি বলেন,উদ্বোধনের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মসজিদটি কার্যত অচল পড়ে আছে, যা এলাকাবাসীর জন্য হতাশাজনক।বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদকে নির্দেশ দেন।দু-এক দিনের মধ্যে কেন নামাজ চালু হয়নি, তার ব্যাখ্যা দিতে এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।কিন্তু নির্দেশনার তিন মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এলাকাবাসীর প্রশ্ন,একটি রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের অধীনে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা কেন এতদিনেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেল না।এ বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ বলেন,ইতোমধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।বিষয়টি দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, বারবার আশ্বাসে আর আস্থা ফিরছে না।দ্রুত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম নিয়োগ দিয়ে নিয়মিত নামাজ চালুর মাধ্যমে মসজিদটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হোক।অন্যথায় বহু প্রত্যাশার এই স্থাপনাটি কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।
গাইবান্ধায় তিন বছরেও চালু হয়নি পলাশবাড়ী মডেল মসজিদ জেলা প্রশাসকের নির্দেশের পরও অগ্রগতি নেই
দেশজুড়ে
১ মিনিট পড়া
আসাদুজ্জামান রুবেল গাইবান্ধা প্রতিনিধি