আন্তর্জাতিক বাজারের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব ও স্থানীয় পর্যায়ে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
কার্যকর হওয়া নতুন দরে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হবে দুই লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকায়। আগের দিন অর্থাৎ, সোমবার এটির দাম ছিল দুই লাখ ৭৪ হাজার ১০৪ টাকা। এক দিনের ব্যবধানে ২২ ক্যারেটের ভরিতে বেড়েছে তিন হাজার ৩২৪ টাকা।
একইভাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৭৭২ টাকা, যা আগের দিনে ছিলো দুই লাখ ৬১ হাজার ৬৮১ টাকা। অর্থাৎ, এ জাতের স্বর্ণের দাম বেড়েছে তিন হাজার ৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেজাবী স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণে মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ‘স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’-এর জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ মূল্য কার্যকর থাকবে। নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ক্রেতাদের কাছ থেকে আদায় করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
বাজারে প্রভাব
স্বর্ণের দাম টানা বাড়তে থাকায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে বিয়ে ও উৎসব মৌসুম সামনে রেখে স্বর্ণ কিনতে আগ্রহীদের বাড়তি ব্যয় গুনতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি ও ডলারের বিনিময় হারের প্রভাব দেশীয় বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।