একইসঙ্গে ঈদের বোনাস যেন আগামী ১২ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করা হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকায় সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) ৯৪তম এবং আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (আরএমজি টিটিসি) ২২তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় দেশের সার্বিক শ্রম পরিস্থিতি পর্যালোচনা, আরএমজি সেক্টরে শ্রম অসন্তোষ নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ-সংক্রান্ত আলোচনা এবং আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কল-কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ ও ছুটি মঞ্জুর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের বেতন আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে দিতে হবে। আগামী ১২ মার্চের মধ্যে ঈদের বোনাস পরিশোধে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া মার্চ মাসের অর্ধেক বেতন পরিশোধের বিষয়টি কারখানাভেদে মালিক ও শ্রমিকদের পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা যেতে পারে। কোনো পক্ষ সক্ষম হলে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ঈদকে সামনে রেখে শ্রমিকদের সমস্যা, মালিকদের সক্ষমতা ও শিল্পের বাস্তবতা, সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রণালয় সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে চায়। আগে ভাগে আলোচনা হলে অনেক বড় সমস্যারও সমাধান নিজেদের মধ্যেই সম্ভব।
নতুন সরকারের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় শ্রম খাতের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার গঠনের পর এখন সবার দায়িত্ব দেশকে এগিয়ে নেওয়া।