পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বান্দরবানে দিনব্যাপী বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।
বান্দরবানে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের কড়া মনিটরিং চলছে। জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির নেতৃত্বে বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের সঠিক ওজন প্রদান, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি বন্ধ রাখা এবং প্রতিদিনের মূল্যতালিকা টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন কঠোরভাবে সতর্ক করেছে, কেউ যেন অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে না পারে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অবৈধ মজুতদারি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস)-এর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য নিশ্চিত করা এবং রমজান মাসে বাজারে স্বস্তি বজায় রাখা।
উল্লেখ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বান্দরবান জেলা প্রশাসন-এর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি বিভিন্ন ফলের দোকান, মুদি দোকান, শাক-সবজি এবং মাছ-মাংসের দোকান পরিদর্শন করেন। তিনি ব্যবসায়ীদের ক্রেতাদের সঠিক ওজন প্রদান, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি বন্ধ রাখা এবং প্রতিদিনের মূল্যতালিকা টানানোর নির্দেশনা দেন। জেলা প্রশাসক কঠোরভাবে সতর্ক করেন—কেউ যেন অতিরিক্ত মূল্যে পণ্য বিক্রি করতে না পারে।
একইসঙ্গে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অবৈধ মজুতদারি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইন তদারকির লক্ষ্যে এ মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।
ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ও ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস)-এর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বাজার মনিটরিংয়ের মূল উদ্দেশ্য-: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধি রোধ।নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিং সেল পরিচালনা।ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত ও মূল্যতালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা।ভেজাল প্রতিরোধ ও অবৈধ মজুতদারির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা।
এ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে বিশেষ মনিটরিং টিম দিনব্যাপী কাজ করছে। পাশাপাশি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
জেলা প্রশাসনের এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সাধারণ ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য নিশ্চিত করা এবং রমজান মাসে বাজারে স্বস্তি বজায় রাখা।