ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ইসরায়েল। শুক্রবার (৭ মার্চ) এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি এই দাবি করেন।
নিষিদ্ধ ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের অভিযোগ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, ইরান ইসরায়েলের সামরিক ও বেসামরিক এলাকায় নিষিদ্ধ ক্লাস্টার বোমা নিক্ষেপ করছে। নাদাভ শোশানি বলেন, "বেসামরিক জনপদে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ। ইরান বারবার এই কাজ করে যুদ্ধাপরাধ করছে। আমরা পুরো পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।"
ইরানে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে ইসরায়েলি অভিযোগের মধ্যেই ইরানে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে অন্তত ১ হাজার ৩৩২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তেহরানের প্রধান বাণিজ্যিক বিমানবন্দর মেহরাবাদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা গত রাতটিকে যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ‘সবচেয়ে ভয়াবহ রাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ট্রাম্পের শর্ত: আত্মসমর্পণ এদিকে মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে আসার একমাত্র পূর্বশর্ত হলো দেশটির ‘আত্মসমর্পণ’। ট্রাম্প বলেন, "ইরান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কি না তা নিয়ে আমি চিন্তিত নই; আমি এমন নেতৃত্ব চাই যারা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে।"
আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের হুঁশিয়ারি হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেছেন, আগামী ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যেই তারা তাদের লক্ষ্য অর্জন করবেন। ওই সময়ের মধ্যে ইরানের আকাশসীমা পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ২৩তম দফায় পাল্টা হামলার ঘোষণা দিলেও ইসরায়েলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে তা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।