• ক্যাম্পাস
  • প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষায় কঠোর নজরদারির হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ক্যাম্পাস ১ মিনিট পড়া
প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস এবং নকল রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার রাজধানীর মিন্টুরোডের সরকারি বাসভবনে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)-এর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার পবিত্রতা রক্ষায় মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হবে।

আসন্ন ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।

পরীক্ষার নিরাপত্তা ও চ্যালেঞ্জ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা আমার কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা অতীতে সফল হয়েছি, এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে।” তিনি আরও জানান, পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তা তদারকি করতে তিনি নিজেই মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনে যাবেন। দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতবিনিময় করা হবে বলেও তিনি জানান।

অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সারাদেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য একই স্ট্যান্ডার্ড বা মানদণ্ড থাকা উচিত। বিশ্বের বড় বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা যদি অভিন্ন প্রশ্নে হতে পারে, তবে আমাদের দেশেও তা সম্ভব।” আগামী বছর থেকে এই পদ্ধতি চালুর সম্ভাবনা নিয়ে কাজ চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিক্ষা প্রশাসনের সংস্কার ও স্ক্রিনিং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে মিলন বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি এমন এক ভিত্তি তৈরি করতে চান, যা দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে স্বচ্ছতা আনতে ইউএনও, ডিসি ও শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে তিন স্তরের স্ক্রিনিং প্রসেস রাখার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

নিয়োগ বিতর্ক ও নতুন শিক্ষাক্রম নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের গতানুগতিক মানসিকতা ত্যাগ করে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Tags: bangladesh education news education reform education-minister ssc-exam-2026 question-leak-prevention