অভিনয় জগতের জাদুকরী প্রতিভা আর বাস্তব জীবনের চিরযৌবনা সৌন্দর্য—এই দুইয়ের সমার্থক নাম জয়া আহসান। পর্দায় যেমন তিনি চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে বারবার ভেঙে গড়েন, তেমনি পর্দার বাইরে তার প্রতিটি উপস্থিতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তৈরি করে এক নতুন উন্মাদনা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ রাখা এই ‘Style Icon’ আবারও আলোচনায় এসেছেন এক স্নিগ্ধ ও মায়াবী ভিডিওর মাধ্যমে। যেখানে প্রকৃতির কোলে একজোড়া শ্বেতশুভ্র খরগোশের সঙ্গে তাকে খুনসুটিতে মেতে থাকতে দেখা গেছে।
ক্যানভাসে আঁকা ছবির মতো সেই দৃশ্য সম্প্রতি নিজের অফিসিয়াল ‘Social Media’ হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন জয়া। ভিডিওটির প্রেক্ষাপট ছিল কোনো এক মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ, যা দেখে মনে হচ্ছিল যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা কোনো জীবন্ত ক্যানভাস। সেখানে একজোড়া সাদা খরগোশের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায় তাকে। কখনো পরম মমতায় একটি খরগোশকে কোলে তুলে নিয়ে আদর করছেন, আবার কখনো নিজের হাতে তাদের সবুজ কচি ঘাস খাওয়াচ্ছেন। জয়ার এই ‘Aesthetic’ উপস্থিতি আর প্রাণিদের প্রতি তার এই অকৃত্রিম ভালোবাসা মুহূর্তেই নেটিজেনদের হৃদয়ে উষ্ণতা ছড়িয়েছে।
স্টাইল ও আভিজাত্যের নতুন সংজ্ঞা জয়া আহসান মানেই আভিজাত্য আর আধুনিকতার মিশেল। এই ভিডিওতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাকে দেখা গেছে হালকা সবুজ রঙের একটি দৃষ্টিনন্দন শাড়িতে। শাড়িটির পাড় এবং আঁচলের সূক্ষ্ম কারুকাজ তার লুকে এনেছে এক ধ্রুপদী মাত্রা। এর সঙ্গে মানানসই ‘Embroidered’ ব্লাউজ, সাবেকি গয়না আর পরিপাটি চুলের সাজে জয়াকে মনে হচ্ছিল ঠিক যেন বনলতা সেনের আধুনিক সংস্করণ। তার এই ‘Elegant’ সাজ সজ্জা ফ্যাশন সচেতন দর্শকদের কাছে আবারও প্রমাণ করেছে কেন তাকে এই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফ্যাশন অনুপ্রেরণা বলা হয়।
নেটিজেনদের মুগ্ধতা ও প্রতিক্রিয়া ভিডিওটি শেয়ার করার পরপরই তা ‘Viral’ হতে সময় নেয়নি। কমেন্টবক্সে ভক্তদের প্রশংসার জোয়ার বইছে। কেউ তার চিরসবুজ রূপের রহস্য জানতে চেয়েছেন, আবার কেউ প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি তার এই গভীর মমত্ববোধের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। একজন ভক্ত মন্তব্য করেছেন, “জয়া যেন সময়ের চেয়েও বেশি সুন্দর, তার স্নিগ্ধতা সবকিছুর ঊর্ধ্বে।”
অভিনয় ক্যারিয়ারে একের পর এক সফল চলচ্চিত্র উপহার দেওয়ার পাশাপাশি জয়া সবসময়ই নিজেকে পরিবেশ ও প্রাণিকুলের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে জাহির করেছেন। তার এই নতুন ভিডিওটি কেবল একটি ‘Lifestyle’ ভিডিও হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ব্যস্ত নাগরিক জীবনে প্রকৃতির সান্নিধ্য পাওয়ার এক সুন্দর বার্তা হিসেবে ধরা দিয়েছে।