এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ তাদের কৌশলগত তেলের মজুত ব্যবহার শুরু করেছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার ৩২টি সদস্য দেশ জরুরি মজুত থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বর্তমানে আইইএ সদস্যদের কাছে ১২০ কোটি ব্যারেল সরকারি এবং ৬০ কোটি ব্যারেল বেসরকারি মজুত রয়েছে।
চীনের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৌশলগত মজুত রয়েছে। বেসরকারি তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের শেষে তাদের মজুত ছিল প্রায় ১১৩ কোটি ব্যারেল।
যুক্তরাষ্ট্রের মজুত রয়েছে ৪১ কোটি ৫০ লক্ষ ব্যারেল এবং তারা ১৭ কোটি ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
জাপানের মজুত প্রায় ৪৭ কোটি ব্যারেল, যা দিয়ে ২৫৪ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব।
তারা ইতোমধ্যে ৮ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের কাছে রয়েছে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং ৩ কোটি ব্যারেল পরিশোধিত পণ্য, যা ৯০ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম।
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানির কাছে ১১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও ৬ কোটি ৭০ লক্ষ ব্যারেল পণ্য, ফ্রান্সের কাছে প্রায় ১২ কোটি ব্যারেল, স্পেনের কাছে ১৫ কোটি ব্যারেল এবং ইতালির কাছে ৭ কোটি ৬০ লক্ষ ব্যারেল মজুত রয়েছে।
সূত্রঃ আল-জাজিরা