জেলার সদর উপজেলার আনালেরতাড়ি গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে গাইবান্ধা এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে কবর ভাঙচুরের ৪৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও গতকাল সন্ধ্যার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কবরের চারপাশে বাঁশের খুঁটি ও প্লাস্টিকের জাল দিয়ে ঘেরা।
কালো প্যান্ট ও ফুলহাতা গেঞ্জি পরা এক যুবক কখনো লাঠি দিয়ে, কখনো লাথি মেরে কবরের বেড়া ভাঙচুর করছেন। গালিগালাজ করার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। কবরের বেড়া ভাঙচুর করে তছনছ করার পর তিনি শান্ত হন। এলাকাবাসী জানান, আনালেরতাড়ি গ্রামের আবদুল মান্নান মারা যাওয়ার আগে তার পাঁচ ছেলের মধ্যে চার বিঘা জমি বণ্টন করে দেন।
এর মধ্যে দ্বিতীয় ছেলেকে বেশি জমি দেওয়া হয়েছে এবং ছোটে ছেলে শাহ আলমকে কম জমি দেওয়া হয়েছে বলে শাহ আলমের অভিযোগ তুলেন। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে শাহ আলম গতকাল বেলা দেড়টার দিকে তার বাবার কবরে ভাঙচুর করেন। দ্বিতীয় ছেলে ইকবাল মিয়ার জায়গায় বাবার কবর দেওয়া হয়। এ বিষয়ে শাহ আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কবর ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খোলাহাটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুল হাই বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। ছেলেটি যে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
খোলাহাটি ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম হাক্কানীও এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।