শনিবার যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুরুলি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এদিন সকাল ১০টায় বুরুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরে প্রতিমন্ত্রী নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
এসময় জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১-১৯৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি সরকার যশোরের অভয়নগর, মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিল। পরবর্তী সরকারগুলো যদি সেই কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখত, তাহলে এ সমস্যার অনেকাংশেই সমাধান হয়ে যেত।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার দেশের মানুষের দুঃখ-কষ্টের সহমর্মী। এজন্য ভবদহ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে একদিকে সেচের পানি সংরক্ষণ নিশ্চিত করেছিলেন, অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছিলেন। এতে এক ফসলি জমি দুই ফসলি, এমনকি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। তাঁর এ উদ্যোগ কৃষকের ভাগ্য বদলে দিয়েছিল এবং দেশের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছিল।
প্রতিমন্ত্রী বর্ষা শুরুর আগেই ভবদহ এলাকার নদী-খাল থেকে বাঁধ অপসারণ এবং স্লুইস গেট সচল করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী পরিচালিত এ খননকাজে স্থানীয় তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।